Child marriage behind the death of 40 percent of mothers

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোলের জামুয়া এলাকার বাসিন্দা শাহানা খাতুন। স্থানীয় একটি স্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ছেন। অথচ নবম শ্রেণিতে থাকাকালীন বিয়ে হয়ে যায় তার। শারীরিকভাবে সক্ষম না হলেও স্বামীর চাওয়ায় গর্ভবতী হন। শুরু হয় নানা শারীরিক জটিলতা। একদিকে শরীরে বাড়তি বোঝা, অন্যদিকে স্বামীর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে অনেকটা ভেঙে পড়েন তিনি। অবশেষে ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগেই মারা যায় তার গর্ভের সন্তান। ফলে ‘অপয়া’ আখ্যা দিয়ে নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায় দ্বিগুণ। স্বামী-সংসারের চাপ সইতে না পেরে সবশেষে বাবার বাড়িতে পালিয়ে আসেন তিনি। একপর্যায়ে দুই পরিবারের মধ্যস্থতায় বিবাহ বিচ্ছেদ হয় শাহানা খাতুনের। আবারো শুরু করেন পড়াশোনা। তবে, দশম শ্রেণি পার হওয়ার আগেই ফের বিয়ের চাপ আসে শাহানার ওপর।

শাহানা খাতুন ঢাকা পোস্টকে বলেন, জীবনে একবার হোঁচট খেয়েছি। এত অল্প বয়সে আমার ওপর দিয়ে যা গেছে তা ভাষায় বর্ণনা করার মতো না। শারীরিক ও মানসিকভাবে অনেকটা ভেঙে পড়েছিলাম। এখনো নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা আছে। ১৫ দিন সুস্থ থাকলেও বাকি ১৫ দিন নানা অসুস্থতায় থাকতে হয়। আমার সাথে যা হয়েছে আর কোনো মেয়ের সাথে যেন তা কোনোদিন না হয়।

source: https://www.dhakapost.com/health/245484