কওমি মাদ্রাসায় শিশু বলাৎকারের বিষয় নিয়ে অনেক আলোচনা হয় স্যোশাল মিডিয়ায়। বেশ কয়েক বছর যাবত এ নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা হচ্ছে। মূল ধারার মিডিয়াগুলোতেও পর্যাপ্ত সংবাদ পরিবেশন হয়েছে বিগত কয়েক বছরে। কয়েকদিন আগেই কামরাঙ্গীরচর একটি মাদ্রাসা ছাত্র বলাৎকারের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে সন্দেহ করা হয়েছে। বলাৎকারের শিকার হয়ে আত্মহত্যার ঘটনা এটাই প্রথম কি না জানি না। মাদ্রাসা মহলে এখন হয়ত সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়াস দেখা যাবে। তবে এই সচেতনতা আরো আগে থেকে হওয়া উচিত ছিল। কারণ একটা শিশু যখন বলাৎকারের শিকার হয় তখন সে আত্মহত্যা না করলেও তার মনের মৃত্যু ঘটে যায়। বিশেষত যখন তার উস্তাদ তার উপর পাশবিক নির্যাতন চালায় তখন তার অবস্থা কি হয় তা হয়তো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।